একজন নেটওয়ার্ক ইঞ্জিনিয়ার হতে হলে বেসিক ধারণাগুলো খুবই পরিষ্কার থাকা দরকার। একজন ইঞ্জিনিয়ার দূরবর্তী ল্যানের মধ্যে সম্পর্ক তৈরী করে থাকেন? আপনাকে যে কাজটি করতে হবে WAN সেটআপ করতে হবে।
WAN কি এবং WAN কিভাবে সেটআপ করতে হয়
Untitled1.png

 

WAN (Wide Area Network)
আমরা তো আগেই জেনেছি যে, দূরবর্তী ল্যানসমূকে নিয়ে গড়ে উঠা নেটওয়ার্ককে ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্ক বলে। এ ধরনের নেটওয়ার্ক এর ডাটা ট্রান্সফার স্পীড ৫৬ কেবিপিএস থেকে ১.৫৪৪এমবিপিএস হয়ে থাকে। ওয়্যানের গতি ধীরে ধীরে পরিবর্তন হচ্ছে। এ ধরনের নেটওয়ার্কে ব্যবহৃত ডিভাইসগুলো হলো রাউটার, মডেম, ওয়্যান সুইজ ইত্যাদি।কেন WAN প্রয়োজন?
একাধিক দূরবর্তী নেটওর্য়াক গুলোর মধ্যে রিসোর্স শেয়ার করার জন্য WAN প্রয়োজন। ধরে নিন, আপনার অফিসের কয়েকটি সাব অফিস বিভিন্ন স্থানে রয়েছে এখন যদি আপনি সাব অফিস গুলোর রিসোর্স ব্যবহার করতে চান তাহলে আপনার ওয়্যান

  • কানেক্টিভিটির প্রয়োজন।কি কি টাইপের WAN কানেকশান হয়
  • ডেডিকেটেড লিজড লাইন কানেকশান
  • সার্কিট সুইজড কানেকশান

প্যাকেট সুইচড কানেকশানডেডিকেটেড লিজড লাইন কানেশন
ডেডিকেটেড লিজড লাইন কানেশন হলো একজন কাস্টমার কর্তৃক ব্যবহৃত হয়। কাস্টমার সার্ভিস প্রভাইডার এর নিকট থেকে নির্দিষ্ট সময় এর জন্য ভাড়া নেয়। ইহা হলো সাধারণত পয়েন্ট টু পয়েন্ট কানেকশান।

সার্কিট সুইজড কানেকশন

C.png

সার্কিট সুইজড কানেকশন হলো টেলিফোন কানেকশন। এই কানেকশন একবার স্থাপন হলে সংযোগ বিচ্ছিন্ন না হওয়া পর্যন্ত ব্যস্ত থাকে। এই কানেকশনের সুবিধা হলো কোন ইন্টারপারেন্স নেই, ডেডিকেটেড অবস্থায় কল থাকে। ফলে সকল ব্যান্ডওয়াই ব্যবহার হয় এবং শেয়ারে এর জামেলা নাই। তবে অসুবিধা হলো যদি জরুরী কোন স্থাপন করার প্রয়োজন হয় তাহলে তা স্থাপন করা সম্ভব নয় যদি কানেকশন ব্যস্ত থাকে ।

প্যাকেট সুইচড কানেকশন
প্যাকেট সুইচড কানেকশন এ ম্যাসেজটা ছোট ছোট প্যাকেটে পরিণত হয় এবং প্যাকেট গুলো একাধিক পথ দিয়ে গমন করে তাই কোন পথে যদি সমস্যা থাকে তাহলে অন্য পথ দিয়ে গমন করে। প্রত্যেকটি প্যাকেট এর সাথে হেডার সংযুক্ত থাকে ফলে রিসিভার হেডারগুলো দেখে দেখে ম্যাসেজ গ্রহন করে। এর প্রধান সুবিধা হলো যেহেতু একাধিক পথ থাকে ফলে রিসিভার দেরিতে হলেও ম্যাসেজ পায়। এর অসুবিধা হলো রিয়েল টাইম যোগাযোগ এর সময় কোন কাজে আসে না।

এতক্ষন আমরা দেখলাম WAN কি , কেন আমরা WAN কনিফগার করি এবং এই WAN কি কি টাইপের হয়। এখন সম্ভবতই প্রশ্ন আসে WAN কিভাবে কনফিগার করা যায়। তাই দেখতে হবে Point to Point Protocol (PPP) এর মাধ্যমে কিভাবে WAN কনফিগার করা যায়। বিস্তারিত ব্যবহারিক ক্লাসের মাধ্যমে শেখানো হবে:

CCNA BANNER - 2-01.png

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.