লেখিকা: শামীমা আক্তার
i2i programme, skill jobs
ভয় আসে কোথা থেকে?
ভয় আসে মূলত অজানা থেকে। আমরা যে বিষয় সম্পর্কে জানি না, সেটাকেই ভয় পাই।
হয়তো আপনার কাছেই পানির মতো সোজা বিষয়, অন্য কেউ নাম শুনেই ঘাবড়ে যাচ্ছে।
কিন্তু কখন হবে পানির মতো সোজা? যখন আপনার মধ্যে শেখার Interest থাকবে,সাথে Effort ও।
বাস্তব চিত্র:
মনে করুন, আপনি একজন Fresh Graduate , IT Basic সম্পর্কেই জানা নেই। কিন্তু Job Market এখন AI Expert খুঁজছে। ভয় পেয়ে যাচ্ছেন? ভাবছেন এই Job Market এ নিজেকে কিভাবে Onboard করবেন?
অথবা আপনি একজন Mid/Senior Level Professional. কিন্তু Updated Technology এর সাথে নিজেকে Update করছেন না। এখানেই আপনার Progress হারিয়ে যাচ্ছে। আপনাকে Replace করে নিচ্ছে অন্য কেউ।
দুশ্চিন্তা নেই। আসুন জেনে নেই কিভাবে আপনার ভেতরের ভয়কে দূর করে আপনার আকাঙ্ক্ষিত Position জয় করবেন। অথবা trend- এর সাথে তাল মিলিয়ে ধরে রাখবেন আপনার smart Career –
Continuous Learning এর 10 Steps Formula:
১. Consistency = শেখার মূল চাবি
Continuous Learning অথবা শেখার ধারাবাহিকতা আমাদের বাস্তব ও কর্ম জীবনে খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি গুন। আমাদের অনেকের -ই এই সমস্যা টা রয়েছে আমরা শিখতে আগ্রহী, পরিশ্রমী ও কিন্ত আমাদের মধ্যে regularity নেই। আমরা দিনরাত পরিশ্রম করে একটা কিছু শিখে ফেলতে চাই বা ফেলি ,কিন্ত পরবর্তী practice বা upgradation এর অভাবে আমাদের এই learning টা বিফলে যায়।
মনে রাখতে হবে:-
- একদিনে কেউ শেখে না। শিখতে হয় সময়ের সাথে। একটি উপন্যাস পড়তে আপনার টানা ২-৩ ঘন্টা সময় লাগতে পারে। কিন্তু এই একবার reading পড়ায় বইটির full concept আপনি বুঝতে পারবেন না, শুধু গল্পটা জানতে পারবেন। একটি Skill আপনি শিখে ফেলতে পারেন খুব দ্রুত, Expert হতে আপনার practice হতে হবে consistent .
- আপনি যা-ই শিখতে যান, Reading পড়া হোক বা Coding – Consistency বজায় রাখতেই হবে। Gap দিলেই Progress হারিয়ে যাবে। Freelancing শিখলেন আপনি,Profile complete করেই গ্যাপ দিয়ে দিলেন।আবার কিছুদিন পর শুরু করলেন। টানা শিখলে আপনার যে progress টা হতে পারে , gap দেওয়ার ফলে তা হারিয়ে যাচ্ছে, এক্ষেত্রে সময় দীর্ঘতার কারণে আপনার অনীহা ও জন্মাতে পারে। ফলে দেখা যাবে আর শেখা-ই হবে না।
- যা-ই শিখবেন, সম্পূর্ণ শিখবেন। এবং পরবর্তীতে Practice চালিয়ে যাবেন। আজ একটু Freelancing ,কাল একটু Coding পরের মাসে একটু Digital Marketing শিখি।সব জানা থাকলে জব মার্কেটে ভ্যালু পাব, এটা অবাস্তব চিন্তা। Recruiter সবজান্তা খোঁজে না, সে খোঁজে expert দের। যে তার কাজটির best result এনে দিতে পারবে। তাই সব জান্তা না হয়ে একটি বিষয়ে complete knowledge gain করার চেষ্টা করুন, regularity ধরে রাখুন।যারা consistance থাকে তারাই সবসময় grow করে।
২. একটি Sector বাছাই করুন
একটি sector বেছে নেয়া মানে শুধু একটি চাকরি বেছে নেওয়া নয়। নিজের passion,skill and future market demand অনুযায়ী একটি sector বেছে নেয়া যেখানে নিজেকে এগিয়ে নেয়া যায়। Conflicted sector বেছে নেওয়ার কারণে বছরের পর বছর time invest করেও progress করা যায় না।
প্রতিটি মানুষের আলাদা strength থাকে, weakness থাকে, skill থাকে। নিজের strength বুঝে sector select করলে burnout আসে না। ভুল sector choose করলে risk থাকে। যেমন- শুধু trend দেখে crypto -তে ঝাঁপ দেওয়া। সঠিক সেক্টর বাছাই করে progress করার ফর্মুলা হলো Research+Skill Development consistency ।
- Research: আমাদের সামনে অনেক কিছু থাকে ,যেমন , AI Machine Learning, Digital Marketing, Data analytics, UI/UX Design, cyber security etc. আমরা বেশিরভাগ সময়ই বুঝতে পারি না কোন বিষয়টি শিখলে আমি গ্রো করতে পারবো। এক্ষেত্রে সহায়ক হবে আপনার Educational Background. আপনার স্নাতক বিষয়ের সাথে টেকনোলজি কে রিলেট করবেন। যেখানে আপনি আপনার এজুকেশন এবং স্কিলকে collaborate করতে পারবেন,সেটাই হতে পারে আপনার জন্য বেস্ট চয়েজ।
- Skill Development:Technology এর যুগে আপনাকে সবকিছু শেখা লাগবে না। প্রথমে সিদ্ধান্ত নিন আপনি কী শিখবেন। আপনার selected Sector -এ Expert হয়ে উঠুন। অনেক কিছু টুকটাক পারার চেয়ে একটি বিষয়ে ভালো Knowledge থাকা Job Market এ ভালো ফলাফল দিবে।
- Consistency: শিখুন এবং শিখতে থাকুন। Consistency কেন এত প্রয়োজন? কারণ প্রতিনিয়ত দ্রুত পরিবর্তনশীল Tech-World. প্রতিদিন আপনার learning টা পুরনো হয়ে যাচ্ছে, আপনার sector টা update হচ্ছে নতুন করে। তাই updated থাকতে হবে আপনাকেও । আর updated থাকতেই প্রয়োজন consistency.
৩. নিজেকে Analyze করুন
আমরা সাধারণত কোনো চিন্তা -ভাবনা ছাড়াই একটি চাকরি পাওয়ার জন্য মরিয়া হয়ে ছুটি। তখন চাকরি হয়ে ওঠে আমাদের জন্য সোনার হরিণ। এই সোনার হরিণটিকে আমাদের হাতের নাগালে আনতে আমাদের প্রয়োজন proper knowledge.আপনার Education ,Skill and Personality অনুযায়ী আপনি কোন সেক্টরে নিজেকে ভালো ফিট করাতে পারবেন, এ বিষয়ে আপনাকে ধারণা নিতে হবে।আপনার Potentiality কোথায়? আপনি কিসে ভালো? নিজেকে একটু জানার চেষ্টা করুন।একটি Sector এর Benefits, Career Growth, Challenges জেনে নিন।যখন সেই সেক্টর সম্পর্কে আপনি crystal clear হবেন, তখন-ই আপনি নিজেকে পুশ করতে পারেন।
উদাহরণ:
- আপনি মানুষকে ভালো Convince করতে পারেন →
ক্যারিয়ার : Sales, Digital Marketing , Business Development .
- আপনর মানুষের সমস্যা শুনে সমাধান দেওয়ার দক্ষতা আছে →
ক্যারিয়ার: HR, Customer Support, Teacher
- আপনি ভালো লিখতে পারেন →
ক্যারিয়ার : Blogging/Content Writing আপনার Career
- আপনি ছবি আঁকতে/Design করতে ভালবাসেন →
ক্যারিয়ার : Graphic Designer, UI/UX designer,Video Editor.
- আপনি হিসাব+ Excel ভালো পারেন :→
ক্যারিয়ার : Accountant, Data Analyst, Financial Analyst, Banker.
- আপনি ডিভাইস নিয়ে দীর্ঘসময় কাজ করতে পারেন →
ক্যারিয়ার : Data Analyst, Cyber Security, Software Developer
এভাবেই নিজের দক্ষতার সাথে তুলনা করে আপনি খুঁজে নিতে পারেন আপনার যথাযথ ক্যারিয়ার।
৪. শিখুন + শেষ করুন + Practice করুন
এখনকার সময়ে আমাদের মধ্যে Multitasker হওয়ার প্রবণতা খুব বেশি। আপনাকে শিখতে হবে মানে সব শিখতে হবে বা অনেক কিছু শিখতে হবে এ ধারণা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। আপনার যতটুকু প্রয়োজন আপনার ক্যারিয়ার ডেভেলপমেন্ট এর জন্য আপনি ততটুকু-ই শিখবেন। Career Subject সিলেক্ট করা একটি বড় এবং কনফিউজিং ব্যাপার। এটা করতে পারলেই আপনার ক্যারিয়ার জার্নির অর্ধেক শেষ হয়ে যায়। এবার ক্যারিয়ার সাবজেক্ট অনুযায়ী Skill Develope করুন। Detect করুন আপনার ক্যারিয়ারের জন্য trendy এবং Market demanding skill কোনগুলো। Proper Source থেকে শেখা শুরু করুন।
Mindset ঠিক রেখে Consistency বজায় রাখুন।আমাদের বেশি সমস্যা হয় মাইন্ডসেট ঠিক না রাখার কারণে। কিছু দিন একটা কিছু শিখে আবার আরেকটাতে জাম্প করার প্রবণতা আমাদের ক্যারিয়ারকে damage করে ।তাই সিদ্ধান্তে অটল থেকে একটি স্কিল শিখুন।। শেখা শেষ করতে হবে + ধারাবাহিক Practice চালিয়ে যেতে হবে।
শেখা ছাড়া Practice = 0। Practice ছাড়া শেখা = 0।
৫. Update থাকুন, Replace হবেন না
যেহেতু পৃথিবীটা এখন প্রযুক্তির,তাই আমাদের চোখ রাখতে হবে প্রযুক্তির নতুনত্বের দিকে। এতটা দ্রুত গতিতে ট্রেন্ড চেন্জ হচ্ছে যেন, আজ যা ট্রেন্ড, আগামীকাল -ই তা পুরনো হয়ে যাচ্ছে। যার ফলে, প্রতিনিয়ত আমাদের নতুন কিছু না কিছু শিখতে হচ্ছে। এমন সময়ে আপনি যদি একটি স্কিল শিখে থেমে থাকেন, তাহলে কিছুদিন পরেই আপনার সে স্কিল অকেজো হয়ে পড়বে। আপনার শরীরের যেমন নিয়মিত খাদ্য প্রয়োজন,আপনার স্কিলের ও প্রয়োজন upgradation.তাই একটি Skill শিখলেই গল্প শেষ না। একটি Job হয়ে গেলেই লক্ষ্য পূর্ণ হয় না।
মাত্র কিছু বছর আগেই রিক্রুটিংয়ে Excel এক্সপার্টদের জেম মনে করা হতো, কিন্ত আজকের বাজারে Excel পরিণত হয়েছে basic knowledge -এ । Excel -কে AI-এর সাথে কানেক্ট করে স্বল্প সময়ে ডাটা রেডি হয়ে উঠেছে expertness.
আপনি নিজেকে Update না করলে আপনাকে overtake করে যাবে অন্যরা। প্রতিনিয়ত পরিবর্তনশীল Technology এর দুনিয়ায় Skill Update রাখতেই হবে। আপনি হয়তো ভিডিও এডিটিং শিখেছেন , এবং নিষ্ঠার সাথেই কাজ করে যাচ্ছেন। কিন্ত আপনার পাশের নতুন কলিগটাই ভিডিও এডিটিংয়ে AI -এর ব্যবহার শিখে আপনাকে ছাড়িয়ে যাচ্ছে।
নতুন Rules, নতুন Tools আসবেই। যে skilled হয় , তাকে Replace করা যায় না।
৬. Don’t Stop
মাইন্ডসেট ঠিক না থাকার কারণে আমাদের একটি কমন সমস্যা হয়,আমরা কোনোকিছু পুরোপুরি শিখতে পারিনা। দেখা যায় একজন Video Editing, Graphic Designing, Sales, Product Managing, Administration নানবিধ বিষয়ে basic knowledge রাখে ,কিন্ত কোনোটাকেই পুরোপুরি আয়ত্ত আনতে পারে না। সব সেক্টরে উঁকি দিতে দিয়ে সে তার ক্যারিয়ারের সোনালি সময়টাকে অপচয় করে ফেলে। সময়ের এই অপচয়রোধে আপনাকে জাম্পিং রোধ করতে হবে।
কখনো আমাদের মনে হয় ,আরে এটা তো সবাই শিখছে,এটা কিভাবে আমাকে অন্যদের থেকে আলাদা করবে! আমাকে ভিন্ন কিছু শেখা দরকার।
এখানে থামুন!
আপনি যা ভাবছেন ১০ জনের ৮ জন-ই তাই ভাবছে। তারা কেউ-ই এ শেখাটি পুরোপুরি শেষ করছে না এই ধারণা থেকে। তাই সেই ৮ জনের একজন না হয়ে, যে ২ জন overthinking বাদ দিয়ে শিখে এগিয়ে যাচ্ছে তাদের একজন হোন।
মাঝপথে অনেক বাধা আসবে। কেউ এসে আমাদের বাধা দিবে ব্যপারটা তা না। পরিস্থিতির চেয়ে আমাদের বড় বাধা আমরা নিজেরাই। আমাদের distraction. Distraction কে overtake করে Learning এ focus করতে হবে।
একটি কথা মনে রাখবেন, কোনো Learning কখনো বিফলে যায় না। আপনার চাকরি চলে যেতে পারে,কিন্ত আপনার knowledge আপনার সাথেই থাকবে। যেটাকে আপনার থেকে কেউ কখনো নিয়ে যেতে পারবে না। বন্ধু,আড্ডা, সময় অপচয়,ফোন স্ক্রিনিং-কে avoid করে আপনার লক্ষ্য স্থির রাখুন।
যা শিখবেন ক্যারিয়ার relevant শিখবেন এবং পুরোপুরি শিখবেন।মাঝপথে থেমে যাওয়া যাবে না। আজ এটা একটু শিখি কাল আরেকটা – এভাবে কিছুই শিখতে পারবেন না। যতক্ষণ পুরোপুরি আয়ত্ত না করছেন, অনীহা আসাটা স্বাভাবিক। তবে অনীহা কাটিয়ে নিজেকে ধরে রাখার মাধ্যমেই আসবে Success। তাই থেমে যাওয়া যাবে না।
°Incomplete skill creates confusion.
°Complete skill becomes confidence.
৭. Small Win Celebrate করুন
বড় কিছু একদিনে achieve করা যায় না। এক্ষেত্রে আমাদের আওড়াতে হয়,
“ছোট ছোট বালুকণা বিন্দু বিন্দু জল
গড়ে তোলে মহাদেশ সাগর অতল।”
এভারেস্ট কেউ একদিনে জয় করেনি। প্রথম কদম ফেলতে হয়েছিলো। তাই আপনার লক্ষ্যের পথে আপনার প্রথম step টাকেও celebrate করুন। এই ছোট ছোট celebration আপনার উৎসাহকে boost করবে।
অনেক সময় দেখা যায় আপনার সহকর্মী আপনাকে ছাড়িয়ে গেছে। কখনো দেখা যায় সহপাঠীরা আপনার থেকে এগিয়ে আছেন। সকলের জার্নি ভিন্ন হবে, এগিয়ে যাবেন একনিষ্ঠ ও পরিশ্রমীরাই। এ ধরনের ছোট ছোট চিন্তা যেন আপনার Learning এর পথে বাধা না হয়ে দাঁড়ায়, তার জন্য প্রয়োজন আপনার small win celebration.
নিজের effort, learning and consistency কে অন্যের সাথে তুলনা করে মনক্ষুণ্ণ না হয়ে celebrate করার মাধ্যমে valuable করে তুলুন।
- আপনি একজন Graphics Designer হতে চান। প্রথমেই কি আপনি Adobe Expert হয়ে উঠতে পারবেন?হতে না পারার গ্লানি আপনাকে হতাশা এনে দিবে। আপনি যদি প্রথমবার pen tool use অথবা Layer create বা Gradient make করতে পারা টাকেই enjoy করতে পারেন,আপনার জার্নিটা হয়ে উঠবে আনন্দের।
- আপনি হতে চান একজন দক্ষ Freelancer. আপনার প্রথম Fiverr/Upwork Account create করতে পারাটাকে appreciate করুন। প্রথম Gig Impression আসা অথবা celebrate করুন আপনার প্রথম ক্লায়েন্ট ম্যাসেজটাকে, তা যে amount এর-ই হোক। গতকাল আপনার কাছে এতটুকুও ছিল না।
- একজন Cyber Security প্রো হওয়ার যাত্রায় আপনার প্রথম সফলতা হতে পারে প্রথমবার Kali Linux Boot করা বা Python Script দিয়ে Port Scan করা। যা একজন এক্সপার্টের কাছে হয়তো বেসিক, কিন্ত as a Learner এটাই আপনার প্রথম Success.
কি পারেননি সেটা নিয়ে হতাশ না হয়ে, নতুন কি শিখলেন সেটা Celebrate করুন। পেছনে তাকান – আজ যা অল্প মনে হচ্ছে গতকাল আপনি তাও পারতেন না। Appreciate your every little step towards your goal.
৮. Self-Marketing করুন
প্রচলিত একটি প্রবাদ রয়েছে – Let your work noise”. আমরা যেটার ভুল ব্যাখ্যা ফলো করি।আপনি যদি instrumentalist হন তাহলে হয়তো আপনার কাজ-ই noise করবে। অন্যথা কিংবা রিক্রুটারের কাছে আপনাকেই noise করতে হবে যে আপনি কাজ টা পারেন। কি ভাবছেন? আমি আপনাকে রিক্রুটার/ক্লায়েন্ট খুঁজে খুঁজে নিজেকে জাহির করতে বলছি। No, make noise by your work.যেন ক্লায়েন্ট আপনাকে খুঁজে।
- আপনি কি জানেন,কি শিখেছেন তা আপনার সোশ্যাল প্লাটফর্মে শেয়ার করুন। ওহ্ আপনি তো ভাবছেন আপনি কিছুই পারেন না কি শেয়ার করবেন! আদতে কি এমন কোনো Continuous Learner আছে যে কিছুই পারে না। আজকে যা আপনার Learning তা-ই আপনার আজকের কন্টেন্ট।
- আপনার Skill = আপনার Product.আপনাকে আপনার Knowledge/Skill কে sell করতে হবে ক্লায়েন্ট/বসের কাছে। আপনি যদি না জানান আপনি এ কাজ শিখেছেন, তারা কিভাবে জানবে! Self Marketing না করে ,’আমাকে কেউ সুযোগ দেয় না’ বলে হতাশ হওয়া যাবে না। আমাদের অনেকের কাছে, বিশেষ করে ফ্রেশারদের কাছে Self Marketing বিষয়টা একটা negative image ধারন করে আছে। আমরা ভাবি নিজের ঢোল নিজে পেটানো বোধ হয় খারাপ কিছু। এর কারণ প্রবাদটির ভুল ব্যাখ্যা ধারণ।
কোনো কিছু শিখে বসে থাকলে হবে না। আপনাকে জানাতে হবে “আমি এটা শিখেছি”। Recruiter কিভাবে জানবে আপনার এই Skill আছে?
LinkedIn এ Post দিন –
- আজ একটি নতুন কোডিং শিখলাম।
- আজ একটি নতুন Logo বানালাম।
- আজ প্রথম Gig publish করলাম।
- একটি নতুন স্কিল শেখার পথযাত্রী।
আপনার শেয়ারিং আপনার Visibility নিশ্চিত করে।
নিজের Learnings Share করুন। Skill এর পাহাড় গড়ে তুললেও Self Marketing না করলে Progress হবে না। আপনার থেকে কম জানা কেউ এগিয়ে যাচ্ছে Self Marketing এর মাধ্যমে।
৯. Failure = Data
A Failure is a participant.আপনি ফেইল করেছেন মানে আপনি পিছিয়ে গিয়েছেন ,এই ভেবে থেমে থাকা যাবেনা। বরং যারা অংশগ্রহণ করেনি, আপনি তাদের থেকে এগিয়ে আছেন। ফেইল হওয়ার মধ্যে আপনার benefits ও রয়েছে huge. আপনি জানলেন কিভাবে পাড়ি দিতে হবে, যা সম্পর্কে non-participant -দের ধারণাও নেই। আপনি Data পেলেন,নিজের Lackings সম্পর্কে। Self improvement -এর জায়গা গুলো detect করতে পারলেন। নিজেকে আরো প্রস্তত করার সুযোগ ও গাইডলাইন পেয়ে গেলেন।
- Failure: Blog Publish করলেন, 10 views but no comments!
Data: আপনার Title টা catchy না অথবা post timing ভুল।
- Failure: Business Idea Fail- 50k লস!
Data: Market Research না করে product বানানো কিংবা invest করা যাবে না।
- Failure: Bug bounty তে report submit করলেন, rejected!
Data: proof of concept missing
- Failure: Product বানালেন – Sell হলো না!
Data: Customer প্রয়োজন না বুঝে ,নিজের পছন্দের product বানিয়েছেন।
এ ধরনের অগণিত failure আমাদের কর্ম জীবন, বাস্তবজীবন সব ক্ষেত্রেই আসে। আমরা সেটাকে permanent ধরে নিজেকে judge করা শুরু করি। প্রতিটি ব্যর্থতা থেকে আমাদের data সংগ্রহ করে , ভুল জায়গা গুলো শুধরে নিতে হবে প্রতিনিয়ত। তাই এগিয়ে যেতে হলে নিজেকে judge না করে improve করুন।
একটা Interview Rejection আপনার মোটিভেশন কেড়ে নিচ্ছে?
আপনার point of view একটি rejection কে একটি better opportunity তে পরিণত করতে পারে। আপনি এই rejection টিকে data তে রূপান্তরিত করতে পারেন self analysis এর মাধ্যমে।কারণ এটা আপনার Failure না, এটা Data Sourcing। আপনি কোথায় ভুল, কোনটা অজানা ছিল – পরীক্ষার সম্মুখীন না হলে কখনো জানতেন না। একটা Rejection আপনার Weak Point গুলো Highlight করে দিচ্ছে। সুযোগ পাচ্ছেন নিজের খুঁটিনাটি ঠিক করার। তাহলে Failure হতাশার বিষয় হতে পারে?
১০. Daily Upgrading Time Fix করুন
পৃথিবীর সব সফলতার মূলে একটি কমন অভ্যাস থাকে তা হলো regularity. আমরা ভাবি সফল হতে দিনরাত পরিশ্রম করতে হবে, দিনে ১০-১২ ঘন্টা লেগে থাকতে হবে,৫ বছর লাগবে,একবার শিখে নিতে পারলেই হলো। কঠিন সত্য হলে বাড়তি পরিশ্রম করে, নিজেকে চাপ দিয়ে,আমরা যা শিখবো তা কিছুসময় পরেই ভুলে যাব। বরং অল্প সময় হলেও নিয়মিত আমরা যে অনুশীলন টা করি তা-ই আমাদের brain-এ long lasting হয় এবং এর ফলাফল ও।
- Consistency vs Intensity: প্রতিদিন জিমে গিয়ে ৪ ঘন্টা exercise করে ১ মাস rest নিলে muscle হবে না। বরং প্রতিদিন ৩০ মিনিট করে ৬ মাসে body change হয়ে যাবে। Skill ও ঠিক একই। প্রতিদিন ৩০ মিনিটের কোডিং ১ বছর পর আপনাকে developer বানাবে।
- Compound effect:আপনার regular schedule -এর পাশাপাশি ৩০ মিনিট/১ ঘন্টা skill development এ সময় দিন। প্রতিদিন ১% করে শিখুন। পরেরদিন আরো ১% ,এভাবে ৩৬৫ দিন পর নিজের পরিবর্তন দেখুন।
- Data Improvement: প্রতিদিনকার এই নির্দিষ্ট সময়ে আপনি শুধু নতুন কিছু শিখবেন এমন নয়। self analysis থেকে যে data পাবেন তা improve ও করবেন। খুঁটিনাটি improvement -ই আপনাকে আপনার সেক্টরে expert করে তুলবে।
- How to fix time: সবার জন্য একসময় হবে না। আপনার schedule অনুযায়ী set করবেন সময়। যেমন- Student হলে ভোরের সময়টা আপনার জন্য উপযুক্ত সময়। ভোরের নীরবতা+ফ্রেশ মাইন্ড = পারফেক্ট কম্বো টাইম।Job Holder হলে Lunch এর ৩০ মিনিট হতে পারে আপনার পারফেক্ট কম্বো টাইম।
Time fixing এর ক্ষেত্রে 3 rules অবশ্যই follow করতে হবে:-
- Same Time: প্রতিদিন নির্ধারিত সময়ে practice করতে হবে।
- No Gap: একদিন ও গ্যাপ দেয়া যাবে না।
- Progress Tracking: নিয়মিত progress track করলে ধারণা নিতে পারবেন, আপনার এই নতুন অভ্যাস আপনার জন্য fruitful হচ্ছে কি না।
থেমে থাকা যাবে না। প্রতিদিন নতুন কিছু শিখবেন।
প্রতিদিন Learning এর জন্য 1-2 Hours বরাদ্দ রাখুন।
এই সময়টাকে নিজের Upgrading Time হিসেবে Detect করুন। একটি নতুন Book পড়া, একটি নতুন বিষয় জানা, অথবা একটি নতুন Skill শেখা – এটা হতে পারে আপনার Target।
মূল কথা:
আপনার শেখার Consistency ই পারে আপনার inner Insecurity, নিজের প্রতি Misjudgment, ভয়ভীতি দূর করতে এবং এই Competitive Job Market এ আপনাকে Fit করতে।
আপনি কোন সেক্টরের জন্য নিজের মাইন্ড-সেট করেছেন?
Relevant Skills শিখে স্বপ্নের Career বাস্তব করতে আপনার সহায়ক হতে পারে Skill Jobs i2i Programme
